জন্মদিনে আমির খানের কিছু মজাদার ফ্যাক্ট! StarGolpo.com

233
ছবি সংগৃহীত

৫৩ বছরে পা দিলেন বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা আমির খান। জন্মদিন উপলক্ষে জেনে নিন আমির খানের কিছু নজদার ফ্যাক্ট যেগুলোর বেশ কয়েকটি অবাক করার মতো। চলুন তাহলে জেনে নেই  আমির খান সম্পর্কিত তেমনই কিছু মজাদার এবং অজানা কথা :

সবাই আমিরকে মিস্টার পারফেকশনিস্ট নাম ডাকলেও ব্যাক্তিগত জীবনে আমি নাকি খুবই অগোছালো। তিনি নিজেই জানিয়েছে , ব্যাক্তিগত জীবনে তিনি খুব এলোমেলো এবং কেয়ারলেস।

১৬ বছর বয়সে বন্ধু আদিত্য ভট্টাচার্যের (পরিচালক বাসু ভট্টাচার্যের পুত্র) সঙ্গে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের নির্বাক চলচ্চিত্রও তৈরি করেছিলেন আমির। ছবির নাম ‘প্যারানয়া’(Paranior)। ছবির নির্মাণের অধিকাংশ টাকাটাই দিয়েছিলেন ডক্টর শ্রীরাম লাগু। জীবনে একটি মাত্র মিউজিত ভিডিওতে কাজ করেছেন আমির। ২০০৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সেই মিউজিক ভিডিওতে গান গেয়েছিলেন রূপ কুমার রাঠৌর।

ছবি সংগৃহীত

দুই বছরের জন্য ‘অবান্তর’ বলে একটি নাটকের দলেও কাজ করতেন আমির। তবে অভিনেতা হিসেবে নয়, সেই দলে আমির ব্যাকস্টেজের সহযোগী হিসেবেই কাজ করেছিলেন। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে জন্মাতে থাকে অভিনয়ের প্রতি আমিরের আগ্রহ। বাবার ইচ্ছের বিরুদ্ধে গিয়েই নিঅভিনয়ে মন নিবেশ করেন আমির।

আমির খানের হিন্দি সিনেমায় অভিনয়ের শুরু হয় কেতন মেহতার হাত ধরে। ছবির নাম হোলি(১৯৮৪)। এই ছবিতে আমিরকে একটি চুম্বন দৃশ্যেও অভিনয় করতে হয়েছিল। আমির ছাড়াও এই ছবিতে ছিলেন তাঁর প্রিয় দুই বন্ধু আশুতোষ গোয়ারিকর এবং রাজ যুৎশি। আরেকটি মজার ব্যাপার হচ্ছে ছবির এন্ড ক্রেডিটসে আমিরের পুরো নামটি অর্থাৎ আমির হুসেন খান নামটিই ছিল।

১৯৮৪ সালে ‘হোলি’র মুক্তির আগেই আমিরের সঙ্গে দেখা হয় রীনা বক্সির। প্রেমে পড়েন দুজনে। আর সেখান থেকে ১৯৮৬ সালে বিয়ে। আর তারপরই ১৯৮৮ সালে আমিরের জীবনে আসে প্রথম সুপারহিট ছবি ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তক’। সেই ছবিতে রীনার এক ঝলক দেখাও মিলেছিল।

‘কেয়ামত সে কেয়ামত তক’ ছবির বাজেট এতটাই কম ছিল যে অভিনয়ের পাশাপাশি ছবির প্রচারের কাজও দেখতে হয়েছিল আমির খানকে। রাস্তায় ঘুরে ঘুরে বাস আর অটোতে এই ছবির পোস্টার লাগাতেন আমির।

ছবি সংগৃহীত

‘ইশ্‌ক’ ছবির সেটে জুহিকে নিয়ে ঠাট্টা করেন আমির। তার পর থেকেই ঝামেলার সূত্রপাত দুজনের মধ্যে। পরস্পরকে এড়িয়ে গিয়েছেন বহুবার, একসঙ্গে কোনও ছবিও করেননি দুজনে। ‘ইশ্‌ক’ এর আগে পর্যন্ত দুজনে মোট সাতটি ছবি করেছিলেন। যার মধ্যে পাঁচটি ফ্লপ আর দুটি হিট। যদিও পরবর্তী কালে নিজেদের মধ্যে বিবাদ মিটিয়ে নিয়েছিলেন দুই তারকাই।

ছবি সংগৃহীত

কোনও অ্যাওয়ার্ড শো-তে সচরাচর দেখা মেলে না আমির খানের। কোনও দিনই অ্যাওয়ার্ড শো নিয়ে খুব একটা মাতামাতি করেন না আমির খান। ‘লগান’, ‘তারে জমিন পর’ আর ‘থ্রি ইডিয়টস’ ছবিটির জন্য জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছিলেন আমির। ২০০৩ সালে পদ্মশ্রী আর ২০১০ সালে পদ্মভূষণের মতো বিশেষ সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন আমির খান।

‘দিল চাহতা হ্যয়’ ছবিতে সিডের চরিত্রে অভিনয়ের কথা ছিল আমিরের। কিন্তু আমিরের পছন্দ ছিল আকাশের চরিত্রটি। আর তার পরেই চরিত্রটি আসে তাঁর কাছে।

‘ওম শান্তি ওম’ ছবিতে যে গানে প্রায় গোটা বলিউডকেই দেখা গিয়েছিল, সেই গানে অতিথি চরিত্রে অভিনয়ের জন্য আমন্ত্রিত ছিলেন আমিরও। কিন্তু আমির ফারহা খানের সেই ডাকে সাড়া দেননি।